ছবিটা দেখে অনেকেই হয়তো ভাবছেন কোন গরীব ক্ষুধার্ত মাদ্রাসায় পড়ুয়া কোনো একজন মোল্লা।
কিন্তু নাহ!
আপনার ধারণা সম্পূর্ন ভূল।
এটা মাদ্রাসায় পড়ুয়া কোন সাধারন হুজুর নয়।
তাহলে আপনার মনে এখন নিশ্চয়ই প্রশ্ন জেগেছে, এই ব্যক্তি কে তাহলে?
কি তার পরিচয়?
এই লোকটির আসল পরিচয় জানলে আপনি যেমন চমকে উঠবেন তার থেকে বেশী অবাক হবেন।
এই নিরহংকার সাদাসিধে সুন্নাতি পোশাক পরিহিত ব্যক্তি আর কেউ নন।
তিনি হলেন আমেরিকার শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাথলজি বিভাগের প্রধান প্রফেসর, মেডিকেল স্কলার এবং অসংখ্য পুরস্কারপ্রাপ্ত গবেষক ডাঃ মোঃ হুসাইন আবদ আল-সাত্তার (#Dr_Hussain_Sattar) বিস্তারিত জানতে গুগল সার্চ করে দেখতে পারেন।
তিনি প্রত্যক্ষভাবে হাজার হাজার মেডিকেল ছাত্র-ছাত্রীর শিক্ষক। আর পরোক্ষভাবে তার রচিত "Fundamentals of pathology" নামক গ্রন্থের মাধ্যমে তিনি যেন বিশ্বের অন্যান্য ডাক্তারদের শিক্ষক। মেডিকেল জগতে তিনি "Creator of Pathoma" হিসাবে পরিচিত।
আমাদের দেশে কোন মেডিকেল কলেজে অথবা অন্যকোন নামধারী ভার্সিটিতে অধ্যয়ন করলে তার যেন অহংকার এবং দাম্ভিকতার সীমা থাকেনা। টুপি,পান্জাবী, দাড়ি দেখলেই অনেকে মনে করেন, ছেলেটা হয়ত মাদ্রাসায় পড়ুয়া কোন সাধারণ মোল্লা।
অথচ এই মহান ব্যক্তির পোশাকটা কিন্তু আমাদের বিবেচিত মাদ্রাসায় পড়ুয়া সাধারণ মোল্লাদের পোশাকের মতোই। কিন্তু তাঁর মনে যেমন কোন অহংকার নেই তেমনি ভাবে নেই কোন দাম্ভিকতা! আর এমনি জীবন হওয়া উচিত আমাদের সবার। ❤
অতএব নিজেকে বদলান, নিজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলান, দেখবেন দুনিয়াটা বদলে গেছে।।😊
কিন্তু নাহ!
আপনার ধারণা সম্পূর্ন ভূল।
এটা মাদ্রাসায় পড়ুয়া কোন সাধারন হুজুর নয়।
তাহলে আপনার মনে এখন নিশ্চয়ই প্রশ্ন জেগেছে, এই ব্যক্তি কে তাহলে?
কি তার পরিচয়?
এই লোকটির আসল পরিচয় জানলে আপনি যেমন চমকে উঠবেন তার থেকে বেশী অবাক হবেন।
এই নিরহংকার সাদাসিধে সুন্নাতি পোশাক পরিহিত ব্যক্তি আর কেউ নন।
তিনি হলেন আমেরিকার শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাথলজি বিভাগের প্রধান প্রফেসর, মেডিকেল স্কলার এবং অসংখ্য পুরস্কারপ্রাপ্ত গবেষক ডাঃ মোঃ হুসাইন আবদ আল-সাত্তার (#Dr_Hussain_Sattar) বিস্তারিত জানতে গুগল সার্চ করে দেখতে পারেন।
তিনি প্রত্যক্ষভাবে হাজার হাজার মেডিকেল ছাত্র-ছাত্রীর শিক্ষক। আর পরোক্ষভাবে তার রচিত "Fundamentals of pathology" নামক গ্রন্থের মাধ্যমে তিনি যেন বিশ্বের অন্যান্য ডাক্তারদের শিক্ষক। মেডিকেল জগতে তিনি "Creator of Pathoma" হিসাবে পরিচিত।
আমাদের দেশে কোন মেডিকেল কলেজে অথবা অন্যকোন নামধারী ভার্সিটিতে অধ্যয়ন করলে তার যেন অহংকার এবং দাম্ভিকতার সীমা থাকেনা। টুপি,পান্জাবী, দাড়ি দেখলেই অনেকে মনে করেন, ছেলেটা হয়ত মাদ্রাসায় পড়ুয়া কোন সাধারণ মোল্লা।
অথচ এই মহান ব্যক্তির পোশাকটা কিন্তু আমাদের বিবেচিত মাদ্রাসায় পড়ুয়া সাধারণ মোল্লাদের পোশাকের মতোই। কিন্তু তাঁর মনে যেমন কোন অহংকার নেই তেমনি ভাবে নেই কোন দাম্ভিকতা! আর এমনি জীবন হওয়া উচিত আমাদের সবার। ❤
অতএব নিজেকে বদলান, নিজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলান, দেখবেন দুনিয়াটা বদলে গেছে।।😊

Comments
Post a Comment